আজ [bangla_day], [english_date] ইংরেজী, [bangla_date] বাংলা, [hijri_date] হিজরী | www.pekuanews.com | A 24 Hours National News Portal

ENGLISH

তাঁদের হলো ২০

ক্যারিয়ারে দুই দশক পার করা সহজ কথা নয়। কেউ কেউ তো খুব অল্প সময়ে ঝরে পড়েন। অথচ তাঁদের দেখুন, দিব্যি দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন মঞ্চ। ২০ বছরে আরও বলিষ্ঠ হয়েছে তাঁদের কণ্ঠ। লিখছি মার্কিন পপকন্যা ব্রিটনি স্পিয়ার্স এবং পুয়ের্তোরিকান গায়ক লুইস ফনসির কথা। গানের জগতে নিজেদের ক্যারিয়ারের ২০ বছর পার করছেন তাঁরা।ব্রিটনি স্পিয়ার্স

পপ সাম্রাজ্যের রাজকন্যা
১৯৮১ সালে মিসিসিপিতে জন্ম নেওয়া ব্রিটনি স্পিয়ার্স সাত-আট বছর বয়স থেকে টিভি অনুষ্ঠানে অভিনয় আর গান দিয়ে যাত্রা শুরু করেন। তবে সত্যিকার অর্থে তাঁর গানের ক্যারিয়ার শুরু করেন আরও পরে। ১৯৯৭ সালে গান রেকর্ডের জন্য প্রথম চুক্তি সই করেন জাইভ রেকর্ডসের সঙ্গে। পরের বছর মাত্র ১৭ বছর বয়সে তাঁর প্রথম একক গান ‘বেবি ওয়ান মোর টাইম’ প্রকাশ পেলে রাতারাতি ‘সুপারহিট’ হয়ে যায়। সঙ্গে প্রকাশ পায় গানটির একটি মিউজিক ভিডিও। ভিডিওতে ব্রিটনির ফ্যাশন ও চালচলন নজর কাড়ে সবার। মিউজিক ভিডিওটি প্রকাশের ২০ বছর পূর্ণ হয়েছে সবে। সমালোচকেরা বলছেন, এখনো সেই ভিডিওতে ব্রিটনির ফ্যাশন এতটুকু পুরোনো হয়নি। ১৯৯৯ সালে বেবি ওয়ান মোর টাইম ও ২০০০ সালে উপস!…আই ডিড ইট অ্যাগেইন শিরোনামের অ্যালবাম দুটি প্রকাশ পায়। কিশোরী ব্রিটনির জন্য এই দুটি অ্যালবামই যথেষ্ট ছিল তাঁকে পপ সাম্রাজ্যের রাজকন্যার তকমা দিতে। এরপর একের পর এক সফল গান আর অ্যালবাম উপহার দিয়ে গেছেন তিনি। গান ছাড়াও তাঁকে কয়েকটি চলচ্চিত্রে অতিথি চরিত্রে উপস্থিত হতে দেখা গেছে। তবে ক্রসওয়ার্ড চলচ্চিত্রে তিনি মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। ২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিটি খুব একটা ব্যবসাসফল ছিল না। এর চেয়ে হয়তো গান গাওয়াই ঢের আনন্দের মনে করেন ব্রিটনি। একটি গ্র্যামি ও সাতটি বিলবোর্ড মিউজিক পুরস্কার ছাড়াও আরও অনেক সম্মাননা অর্জন করেছেন তিনি। পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বিক্রীত অ্যালবামের শিল্পীর তালিকায় রয়েছে তাঁর নাম। বিলবোর্ড ম্যাগাজিন শূন্য দশকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তারকার তালিকায় অষ্টম স্থান দিয়েছে তাঁকে। লুইস ফনসি

ফনসির গড়ে ওঠার গল্প
লুইস ফনসি বিশ্বজুড়ে খ্যাতি লাভ করেছেন মাত্র গত বছর। কিন্তু গান গেয়ে যাচ্ছেন বিগত ২০ বছর ধরে, জানেন কি? লাতিন আমেরিকান বলে হয়তো এত বছরেও লুইস ফনসির গান শোনা হয়নি। গণমাধ্যমের প্রসার ও প্রচারে এবার যথার্থ বিখ্যাত হয়ে উঠেছেন তিনি।
লুইস আলফেনসো রদ্রিগেজ লোপেজ-সেপেরো নামের ছেলেটির জন্ম হয় ১৯৭৮ সালে। জন্মস্থান পুয়ের্তোরিকোর রাজধানী শহর সান জুয়ান। ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা জন্মে। তিনি জানতেন, একদিন সংগীত তারকাই হবেন। ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করছিলেন সংগীত বিষয়ে। কিন্তু শেষ করতে পারেননি। সুযোগ পেয়ে ক্যারিয়ারে মনোযোগ দিয়ে ফেলেন এর আগেই। বড় নামখানা বদলে হয়ে যান লুইস ফনসি। ১৯৯৮ সালে প্রথম অ্যালবাম কমেনজারে প্রকাশ করেন। লাতিন সংগীত জগতে ব্যাপক সফল হয় তাঁর সেই অ্যালবাম। ২০১৭ সাল পর্যন্ত নিজ গণ্ডির মধ্যেই সুখ্যাত সংগীত তারকা ছিলেন তিনি। এরপর স্প্যানিশ ভাষার গান দেসপাসিতো বদলে দেয় তাঁর ক্যারিয়ার। গড়ে উঠে লুইস ফনসি নামের নতুন এক ইতিহাস। এই গানে আরও কণ্ঠ দেন পুয়ের্তোরিকোর আরেক সংগীত তারকা ড্যাডি ইয়াংকি। ইংরেজি কিস্তির রিমিক্স গানে তাঁদের সঙ্গে কণ্ঠ দেন মার্কিন পপ তারকা জাস্টিন বিবার। টানা ১৬ সপ্তাহ ধরে বিলবোর্ড ম্যাগাজিনের শীর্ষ তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে রাখে এই গান। পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি দেখা ভিডিও বলা হয় দেসপাসিতোর মিউজিক ভিডিওকে। চারটি লাতিন গ্র্যামি ছাড়াও এই এক গানেই পেয়েছেন আরও সম্মাননা। ভরাট কণ্ঠের জাদু দেখানোর পাশাপাশি গিটার আর পিয়ানো বাজাতে জানেন। লুইস ফনসি অভিনয় করেছেন ছোট পর্দায়। লাইক ওয়াটার ফর চকলেট নামের ম্যাক্সিকান চলচ্চিত্রেও হাজির হয়েছেন অতিথি চরিত্রের মাধ্যমে।

389 total views, 2 views today

Translate »