আজ [bangla_day], [english_date] ইংরেজী, [bangla_date] বাংলা, [hijri_date] হিজরী | www.pekuanews.com | A 24 Hours National News Portal

ENGLISH

পেকুয়ায় দ্রব্যমূল্য ও ভেজাল সংকট !

সাইফুল ইসলাম বাবুল :

পেকুয়া উপজেলার প্রাণকেন্দ্র পেকুয়া বাজার। অত্র উপজেলার মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয় করার জন্য পেকুয়া বাজারকে বেছে নেয়। তবে জনগণের সদাই ও যাতায়াত খুবই দুর্বিসহ। রৌদ্রের খরতাপে মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। তার সাথে যুক্ত হলো তীব্র যানজট। এমনও দেখা যায় পেকুয়া বাজার অতিক্রম ককরতে অনেক সময় এক ঘন্টাও লেগে যায়।

টমটম, অটোরিকশা, সিএনজি, ট্রাক যত্র তত্র দাঁড়িয়ে থাকে। মানুষ হাঁটা চলার পথ পায় না। সময়ের বিরাট অপচয়। অথচ বারবার বলা হয় গাড়ী যদি বাজারের ভিতর দিক পরিবর্তন করে তাহলে অন্য গাড়ী দাঁড়িয়ে যায়। তাই আমার ক্ষুদ্র কথায় ছোট্ট প্রস্তাব গাড়ী গুলো যেন বাজারের দুই প্রান্তের শেষে দিক পরিবর্তন করে। তাহলে যানজট একটু কমতে পারে। আর রাস্তার ফুটপাত যেন শীঘ্রই নির্মাণ করা হয়।

এখন রমজান মাস চলছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অন্যায্য মূল্য যা সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলেছে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় ৫০ টাকার তরমুজ কি ভাবে ৬০০ টাকা হয়। ওজনে কম দেয় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এছাড়া তরি-তরকারি, মাছ, কলা ও নানাবিধ ফলমূল সবই ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।

বাজারের আড়ৎ দারেরা মওজুদী ব্যবসা শুরু করেছে। কম দামে পাইকারি কিনে তিন গুণ চার গুণ দামে বিক্রি করে। মাঝে মধ্যে দেখা যায় ফরমানিও ব্যবহার হয়। বাজার পরিস্কার রাখাও ব্যাবসায়ীদের দায়ীত্বের মধ্যে পড়ে। কিন্তু কাঁচা বাজারে ঢুকলেই যে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখা যায় তাতে মানুষের যে কোণ রোগ হতে পারে। খাদ্যদ্রব্য দূষিত হবে।বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় মুদি সামগ্রীও খুবই নিম্নমানের। তাই কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি সেদিকে যেনো নজর দেয়া হয়। যদি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয় তবে অনিয়ম অনেকটুকু কমতে পারে।

কেউ বাজারে কিছু বিক্রি করতে আসলে ঠকবে আবার কিনতে গেলেও ঠকবে। কারণ পেকুয়া বাজারে ঠকবাজ সিন্ডিকেট সক্রিয়। এদের এখনই থামানো দরকার। সামনে ঈদের বাজার নতুন জামা কাপড়, জুতা, তথা ঈদ সামগ্রীর বাজারও গরম এর নাগাল টেনে ধরা দরকার। তাই আবারও বলছি, মোবাইল কোর্ট কিংবা প্রশাসনিক নজরদারী একান্ত দরকার।

254 total views, 2 views today

Translate »