চকরিয়ায় চিংড়িজোনে চাঁদাবাজির আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের গোলাগুলিতে প্রবাস ফেরত একজনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ
বিভাগীয় প্রতিবেদক। | অক্টো ২৫, ২০২৫ | ০৯:১০
ছবি: প্রতিবেদক।
নিজস্ব প্রতিনিধি, চকরিয়া
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার চিংড়িজোনের
মৎস্য ঘেরের জবরদখল ও চাঁদাবাজি নিয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলিতে মো. সিরাজুল ইসলাম (৩৭) নামে এক প্রবাস ফেরত ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকাল আড়াইটার দিকে উপজেলার চিরিঙ্গা ইউনিয়নের সওদাগরঘোনা চেরা বটতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সিরাজুল ইসলাম চিরিঙ্গা ইউনিয়নের সওদাগরঘোনা গ্রামের বাসিন্দা ওমর আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন। এলাকায় এসে নেজাম গ্রুপের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।
স্থানীয় এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন দিন ধরে চকরিয়া উপজেলার চিংড়িজোন খ্যাত চরণদ্বীপ ও রামপুর এলাকায় জাহাঙ্গীর আলম ও নেজাম উদ্দিন গ্রুপের সদস্যরা ঘের থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর জাহাঙ্গীর গ্রুপ থেকে বের হয়ে নেজাম উদ্দিন আলাদা একটি গ্রুপ তৈরি করে। এরপর থেকে তাদের দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে।
এর জের ধরে সওদাগরঘোনা চারাবটতলী এলাকায় শনিবার সকাল থেকে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও গোলাগুলি শুরু হয়।
এরইমধ্যে বিকাল আড়াইটার দিকে পুনরায় চিরিঙ্গা ইউনিয়নের সওদাগরঘোনা চেরাবটতলী এলাকায় দুইপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির এক পর্যায়ে নেজাম উদ্দিন গ্রুপের সদস্য মো. সিরাজুল ইসলামসহ আরো ২ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়।
আহতদের মধ্যে সিরাজুল ইসলামকে শনিবার বিকাল চারটার দিকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষনা করেন। তাৎক্ষণিক আহত দুইজনের নাম পাওয়া যায় নি।
চকরিয়া থানার ওসি তদন্ত ইয়াসিন মিয়া বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যায় জড়িতদের ধরতে পুলিশ ইতোমধ্যে অভিযান শুরু করেছেন।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ##